×

সিডনিতে পাকিস্তান ম্যাচে ভাইরাল ‘মিস্ট্রি গার্ল’! কে এই রহস্যময়ী তরুণী?

 
নাতাশা
নয়াদিল্লি:  কে তুমি নন্দিনী! 

সিডনিতে পাকিস্তান এবং নিউজিল্যান্ডের ম্যাচ ঘিরে বাইশ গজে তখন টানটান উত্তেজনা৷ হঠাৎ করেই ক্যামেরা তাক করল স্টেডিয়ামে৷ ধরা দিলেন সাদা টিশার্ট পরা এক তরুণী। জামায় ছোট করে আঁকা পাকিস্তানের পতাকা৷ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসরে হঠাৎ ফোকাস কাড়লেন তিনি। হয়ে উঠলেন তন্দ্রা হরণী!

 

 

আরও পড়ুন- মিশিগানের শান্ত জলে মেঘের ‘সুনামি’! ভিডিয়ো দেখে হতবাক নেটাগরিকরা

তিনি যে পাকিস্তানি সমর্থক, তা তাঁর সাদা টিশার্টের উপর আঁকা পতাকা থেকেই স্পষ্ট৷ কিন্তু, কে তিনি? কী-ই বা তাঁর পরিচয়?  ওই তরুণীর ছবি ভাইরাল হতেই তিনি হয়ে উঠলেন ‘মিস্ট্রি গার্ল’! সুন্দরী ওই তরুণীর খোঁজে তোলপাড় নেটপাড়া৷ 

নাতাশা

গত ৯ নভেম্বর পাকিস্তানের সঙ্গে নিউজিল্যান্ডের সেমিফাইনাল ম্যাচে গ্যালিরিতে দর্শক আসনে উপস্থিত ছিলেন এই লাস্যময়ী৷ ওই দিনের ম্যাচে টিভির পর্দায় বার বার ধরা পড়েছে তাঁর ছবি। সেমিফাইনালে কিউয়িদের হারাতে স্টেডিয়াম থেকে পাকিস্তান ক্রিকেটারদের দিকে একের পর এক চুম্বন ছুড়ে দিতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। এই মিস্ট্রি গার্লের মিস্ট্রি ভেদ করতে দিনরাত এক করে তাঁর খোঁজ চালানোর পর জানা গেল ওই তরুণীর নাম নাতাশা। একাধিক সূত্রে দাবি, তিনি পাক বংশোদ্ভূত অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। জন্ম মেলবোর্নে৷ এই শহরেই কেটেছে শৈশব৷ তিনি মেলবোর্নেরই বাসিন্দা৷ রহস্যময়ী এই তরুণী নিজের ইনস্টা বায়োতে নিজেকে ‘অস্ট্রেলিয়ান পঞ্জাবান’ বলেই পরিচয় দিয়েছেন।

নাতাশার ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে উঁকি দিয়ে জানা গেল,  ভ্রমণ করাই তাঁর শখ। বস্টওয়ানা এবং দক্ষিণ আফ্রিকার বহু ছবি তাঁর ইনস্টা অ্যাকাউন্টে রয়েছে৷ এদিকে, ভাইরাল হওয়ার পরই তাঁর নামে একাধিক ভুয়ো অ্যাকাউন্ট তৈরি হয়েছে বলে দাবি নাতাশার। এ বিষয়ে নিজের অনুগামীদের সতর্কও করেছেন এই ভাইরাল তরুণী। 

নাতাশা


পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার পরেই টুইট করেছিলেন নাতাশা৷ লিখেছিলেন, ‘‘ফাইনালে ভারত-পাকিস্তানকে দেখতে চাই।’’  কিন্তু, বৃহস্পতিবার সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের কাছে লজ্জার হার হয় রোহিতদের৷ বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যায় ভারত।

সিডনির গ্যালারি থেকে ভাইরাল নাতাশার কাছে বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যম জানতে চেয়েছিল, তাঁর প্রিয় বোলার কে? তাঁর অকপট জবাব, নাসিম শাহ৷ সিডনি থেকে ভাইরাল হওয়ার আগে পর্যন্ত নাতাশার ইনস্টাগ্রামে অনুরাগীর সংখ্যা ছিল ১,৫০০। কিন্তু ভাইরাল হতেই রাতারাতি সেই সংখ্যা এক লাফে ৩৫,০০০-এ পৌঁছেছে। আবার কবে দেখা যাবে তাঁকে? সেই উত্তর সময়ই দেবে৷ 


 

From around the web

Education

Headlines