×

সঙ্গমরত যুগলের গায়ে ফেভিকুইক তান্ত্রিকের! জোড়া খুনের তদন্তে নেমে স্তম্ভিত পুলিশও

 
tantrik

উদয়পুর: ভয়ঙ্কর প্রতিশোধ৷ যা শুনে শিউড়ে উঠল গোটা দেশের মানুষ৷ 

 

 

 

আরও পড়ুন- অসম-মেঘালয় সীমান্তে গুলি, মৃত্যু একাধিক! ইন্টারনেট বন্ধ এলাকায়

 


বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে লিপ্ত এক যুগলকে তাঁর সামনে রতিক্রিয়ায় লিপ্ত হতে বাধ্য করেছিলেন এক তান্ত্রিক৷ তারপর মিলনে লিপ্ত ওই যুগলের গায়ে ফেভিকুইক ঢেলে খুন করা হয় তাঁদের৷ বিভৎস ঘটনাটি ঘটেছে রাজস্থানের উদয়পুরে৷ এই ঘটনার তিনদিন পর নগ্ন অবস্থায় তাঁদের মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ৷ জানা গিয়েছে, আঠার জোরাল প্রভাবে ওই যুগলের শরীর থেকে চামরা উঠে এসেছে৷ এই ঘটনায় অভিযুক্ত তান্ত্রিক ভালেশ কুমারকে গ্রেফতার করেছে রাজস্থান পুলিশ৷ 

বছর ৩০-এর রাহুল মিনা এবং ২৮ বছরের সোনু কুঁয়ার দু’জনেই বিবাহিত। তান্ত্রিক ভালেশের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল দুই পরিবারেরই। সেই সূত্রেই রাহুল ও সোনুর পরিচয় এবং কাছাকাছি আসা৷ এমনকী তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এ দিকে পারিবারিক সুসম্পর্কের জেরে রাহুলের স্ত্রীর প্রেমে পড়েন ভালেশ। তাঁকে কাছে পেতে ভালেশ রাহুলের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের কথা জানিয়ে দেন তাঁর স্ত্রীকে। সেখান থেকেই গন্ডোগোলের সূত্রপাত।

ভালেশ জানান, দুই বাড়িতে বিষয়টি জানাজানি হতেই রাহুল ও সোনু একসঙ্গে এসে তাঁকে হুমকি দেন৷ এও বলেন, এ বিষয়ে আর একটা কথা বললেও যৌন হেনস্থার অভিযোগ এনে তাঁকে গ্রেফতার করিয়ে দেবেন। এদিকে, গত ৭-৮ বছর ধরে তান্ত্রিক হিসাবে এলাকায় বেশ সুনাম রয়েছে তাঁর৷ সেই সুনাম নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় প্রতিশোধ নেওয়ার ছক কষেন ভালেশ। এর পর এক দিন রাহুল ও সোনুকে আলাদা ভাবে ডেকে পাঠান ভালেশ৷ তাঁরা সেখানে উপস্থিত হলে ভালেশ তাঁদের বলেন,  তাঁর সামনে দু’জনকে যৌনতায় লিপ্ত হতে হবে। তেমনটা করলেই দু’জনের মনস্কামনা পূর্ণ হবে।

পুলিশ সূত্রে খবর, রাহুল এবং সোনুকে ডেকে পাঠানোর আগে প্রচুর ফেভিকুইক মজুত করেছিলেন ভালেশ। এর পর জঙ্গলের মধ্যে একটি নির্জন জায়গায় ওই যুগলকে তাঁর সামনে সঙ্গমে লিপ্ত হতে বলে, তাঁরা যখন মিলনরত অবস্থায় রয়েছেন, তখন দু’জনের গায়ে ফেভিকুইক ঢেলে দেন ভালেশ। ওই অবস্থাতেই মৃত্যু হয় রাহুল ও সোনুর। তাঁরা অবশ্য আঠা ছাড়িয়ে বেরনোর প্রাণপণ চেষ্টা করেছিলেন৷ কিন্তু আঠার গ্রাস থেকে রেহাই পাননি৷ এমনকী রাহুলের যৌনাঙ্গ শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এর পর তাঁদের মৃত্যু নিশ্চিত করতে দু’জনেরই গলায় ছুড়ি চালান ভালেশ। তিন দিন পড় যুগলের নগ্ন দেহ উদ্ধার করে পুলিশ৷ তদন্তে নেমে গ্রেফতার হন ভালেশ৷ খুনের কথা স্বীকারও করে নেন তিনি৷ 

From around the web

Education

Headlines