ইন্দোনেশিয়ায় প্রবল সুনামিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৭৩। জখম হাজারেরও বেশি। জানা গিয়েছে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণেই এই সুনামি। ওই আগ্নেয়গিরির নাম ক্রাকাতোয়ার সন্তান। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে অনুমান। অন্যদিকে, আরও সুনামির আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ। কারণ ওই আগ্নেয়গিরি এখনও রীতিমতো সক্রিয়। শনিবার স্থানীয় সময় রাতে সাড়ে নটায় দক্ষিণ সুমাত্রা ও জাভার পশ্চিম প্রান্তে বিরাট সামুদ্রিক ঢেউ আছড়ে পড়ে। ভেঙে পড়ে কয়েকশো বাড়িঘর। ভূবিজ্ঞানীদের মত, পূর্ণিমার সময় জলে অস্বাভাবিক ঢেউ এবং সমুদ্রের তলায় অনর ক্রাকাতোয়ায় ভূমিক্ষয়ের দরুণই এই প্রবল সুনামি। ১৮৮৩ সালে ক্রাকাতোয়ার বিধ্বংসী ভূকম্পের পর অনক ক্রাকাতোয়ায় একটি ছোট দ্বীপের সৃষ্টি হয়েছিল। এমনিতেই ইন্দোনেশিয়া ভূমিকম্পপ্রবণ বলে চিহ্নিত। ইন্দোনেশিয়ার দ্বীপপুঞ্জে ১২৭টি সক্রিয় আগ্নেয়গিরি রয়েছে।
মৃত বেড়ে ৩৭৩, ফের সুনামির আশঙ্কা
ইন্দোনেশিয়ায় প্রবল সুনামিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৭৩। জখম হাজারেরও বেশি। জানা গিয়েছে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণেই এই সুনামি। ওই আগ্নেয়গিরির নাম ক্রাকাতোয়ার সন্তান। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে অনুমান। অন্যদিকে, আরও সুনামির আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ। কারণ ওই আগ্নেয়গিরি এখনও রীতিমতো সক্রিয়। শনিবার স্থানীয় সময় রাতে সাড়ে নটায় দক্ষিণ সুমাত্রা ও জাভার পশ্চিম প্রান্তে বিরাট