Aajbikel

নির্বাচনী বন্ড বিশ্বের বৃহত্তম কেলেঙ্কারি! বিস্ফোরক কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর স্বামী

 | 
ভোট

নিজস্ব প্রতিনিধি: খোদ কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর স্বামীর বিস্ফোরক দাবিতে বেজায় অস্বস্তিতে পড়ল বিজেপি। এমনটা যে হতে পারে সেটা কল্পনাও করতে পারেননি নির্মলা সীতারামণ। ঘটনা হল ইলেকটোরাল বন্ড অর্থাৎ নির্বাচনী বন্ড নিয়ে তোলপাড় কেন্দ্রীয় রাজনীতি। বামপন্থী দলগুলিকে বাদ দিলে অধিকাংশ বড় দল এই বন্ডের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা আর্থিক সাহায্য পেয়েছে। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ না দিলে কোন সংস্থা কোন কোন রাজনৈতিক দলকে কোটি কোটি টাকা অর্থ সাহায্য করেছে, তা জানাই যেত না। আর গোটা বিষয়টি নিয়ে এবার বিস্ফোরক দাবি করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণের স্বামী তথা প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ পি প্রভাকর। 

 

তিনি মনে করেন শুধু ভারত নয়, গোটা বিশ্বের মধ্যে বৃহত্তম কেলেঙ্কারি হচ্ছে নির্বাচনী বন্ড। সম্প্রতি একটি সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে এমনই বিস্ফোরক দাবি করেছেন তিনি। যে সাক্ষাৎকারে নির্মলার স্বামী অর্থনীতিবিদ পি প্রভাকর স্পষ্ট বলেছেন এই ইস্যুতে আগামী দিনে বিজেপিকে বড় মূল্য চোকাতে হবে। উল্লেখ্য বিজেপি একাই নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে ৬৯৮৬.৫ কোটি টাকা পেয়েছে। ১৩৯৭ কোটি টাকা নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে তৃণমূল। ১৩৩৪ কোটি টাকা নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে কংগ্রেস।

 

বামেদের অভিযোগ বিভিন্ন সংস্থাকে নানা সুযোগ সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে বিজেপি কোটি কোটি টাকা মুনাফা লুটেছে। তবে এবার খোদ কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণের স্বামী একই অভিযোগ করায় গোটা বিষয়টি সম্পূর্ণ অন্য মাত্রা পেয়েছে। বিভিন্ন সময়ে কেন্দ্রীয় সরকারের নানা অনিয়মের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন নির্মলার স্বামী। তাই নির্বাচনী বন্ড ইস্যুতেও তিনি যে চুপ করে থাকবেন না সেটা বোঝাই গিয়েছিল। স্বাভাবিকভাবেই এই বিষয়টিকে যে বিরোধীরা লুফে নেবেন তা স্পষ্ট। উল্লেখ্য নির্বাচনী বন্ডের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল কেরলের বাম সরকার। গত ছ'বছর ধরে এই বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করে চলেছে বামেরা।

 

অবশেষে সুপ্রিম কোর্টের রায়ে পুরো বিষয়টি নিয়ে 'পর্দা ফাঁস' হয়েছে বলেই রাজনৈতিক মহল মনে করে। এর জন্য যথেষ্ট কৃতিত্ব প্রাপ্য বামেদের। এই আবহের মধ্যে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণের অর্থনীতিবিদ স্বামীর বিস্ফোরক দাবিতে নির্বাচন বন্ড নিয়ে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে। একই সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে নতুন করে বিতর্কও তৈরি হয়েছে।

Around The Web

Trending News

You May like