নয়াদিল্লি: আইআইটি খড়গপুরের একদল গবেষক এবং কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি দফতরের যৌথ উদ্যোগে একটি সমীক্ষা করা হয়। সেই সমীক্ষাই উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর বিষয়। গবেষকেরা জানিয়েছেন, পৃথিবী উষ্ণায়নের কারণে প্রতিবছর লক্ষাদ্বীপের চারপাশে সমুদ্রের জলস্তর ০.৪-০.৯ মিলিমিটার করে বাড়বে। তার ফলে এখানকার জনবসতি এলাকা এমনকি বিমানবন্দরও প্লাবিত হতে পারে।
শুরুতেই এই ঘটনার জন্য প্রভাবিত হবে ছোট ছোট দ্বীপগুলি, এমনই মত গবেষকদের। সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, চেতলাট, আমিনির মতন দ্বীপগুলিতে সমুদ্র উপকূলবর্তী স্থলভাগের ৭০-৮০ শতাংশ চলে যাবে জলের নীচে। মিনিকয়ের মতন বড় দ্বীপের ক্ষেত্রেও আশঙ্কা থাকছে। জলস্তর বৃদ্ধির কারণে সেখানে ৬০ শতাংশ স্থলভাগ জলের নীচে চলে যেতে পারে। আগাতি দ্বীপের দক্ষিণ প্রান্তে থাকা বিমানবন্দরও তলিয়ে যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এখন উপকূলবর্তী জনবসতি এলাকাগুলি কীভাবে রক্ষা করা সম্ভব তা নিয়ে চিন্তিত গবেষকেরা।
আরও পড়ুন- ৭৪ দিন পর সক্রিয় রোগীর সংখ্যা এত কম দেশে, মৃত্যু নিয়ে উদ্বেগ
বিগত বেশ কয়েক মাস ধরেই লক্ষদ্বীপ নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। মূলত প্রশাসক প্রফুল্ল প্যাটেলের আগমণের পর সেখানে অশান্তি বেড়েছে বলে বিরোধীরা দাবি করছে। একাধিক নতুন নিয়ম কার্যকর করার ফলে সেখানকার মানুষের সাধারণ জীবিকা এবং জীবন ব্যাহত হচ্ছে বলে আওয়াজ তোলা হচ্ছে। যদিও কেন্দ্রীয় সরকারের দাবি যে লক্ষদ্বীপের উন্নয়নের জন্যেই কাজ করছে সরকার। তবে বিগত কিছু সময় ধরে যে রকম খবর সেখান থেকে আসছে তাতে আশ্বস্ত হবার কিছু নেই।