আজ বিকেল: ১৪ ফেব্রুয়ারির ক্ষত এখনও দগদগে, ৪০ জওয়ানের রক্তাক্ত দেহ ভুলতে পারেনি গোটা দেশ। তার পরবর্তীতে এয়ার স্ট্রাইক-টু ও তারপর নিয়ন্ত্রণ রেখার ওপার থেকে একের পর এক গুলি বর্ষণের ঘটনা ঘটে চলেছে। স্বাভাবিক ভাবেই অবন্তীপুরা, পুলওয়ামা, রাজৌরি, পুঞ্চ কৃষ্ণঘাঁটি সহ সংলগ্ন এলাকায় যেন চির অশান্তি বিরাজমান। শুধু চিরুনি তল্লাশি আর ধরপাকড়। সাধারণ বাসিন্দারাও আতঙ্কে কাটাচ্ছে প্রহর। এহেন পরিস্থিতিতেই ফের পুলওয়ামায় গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটল। এই হামলায় এক কর্তব্যরত জওয়ানের আহত হওয়ার খবর মিলেছে, তাঁর আঘাত গুরুতর হওয়ায় তড়িঘড়ি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রায় দেড় মাস কাটলেও পুলওয়ামায় থমথমে ভাব বজায় ছিল। নিরাপত্তা বাহিনীর বুটের আওয়াজ যেন ঘচটির কাঁটার সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছিল, ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছিল গোটা এলাকা। তবে তার আগেই ফের গ্রেনেড হামলায় পুলিশি ওসেনা টহলদারি কেকগুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
জানা গিয়েছে, পুলওয়ামা কাণ্ডের মূল হোতা ও তার সহযোগীদের অনেকেই অবন্তীপুরার লোকালয়ে ঘাঁটি গেড়েছিল। এই মুহূর্তে টানা তল্লাশি চললেও এমন আত্মগোপন করে থাকা বহু জঙ্গি এখনও সেনার নজরের বাইরে রয়েছে। নারকীয় ঘটনার পরে পরেই বেশকিছু জঙ্গি ঘাঁটির সন্ধান পায় নিরাপত্তা বাহিনী, কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়। যাদের মধ্যে ছিল পুলওয়ামা কাণ্ডের মাস্টার মাইন্ডও। এদিকে গ্রেনেড হামলার পর সেনা ফের তৎপরতার সঙ্গে অভিযানে নেমেছে, চলছে তল্লাশি।