Aajbikel

চিনি বিষ, বদলে চায়ে কী মেশাবেন? মিষ্টির স্বাদের জন্য খাবেন কী? রইল ৬ প্রাকৃতিক উপাদানের খোঁজ

 | 
চিনি

কলকাতা:  চিনি ছাড়া অনেকেরই চলে না। সবেতেই চিনি চাই। তবে ছোট হোক বা বড়, চিনি কিন্তু সকলের শরীরের জন্যই বিষ। স্বাস্থ্য সচেতন অনেকেই এখন চায়ে চিনি বর্জন করছেন৷ অথচ রাতে হয়তো রুটি খাওয়ার পর টুক করে এক-আধটা মিষ্টি মুখে পুড়ে দিচ্ছেন৷ বাড়ির তৈরি তরিতরকারির স্বাদ বাড়াতে অনেকে আবার চিনি মিশিয়ে থাকেন৷ তার উপর এটা-সেটা, প্রায় সবেতেই রয়েছে অল্প বিস্তর চিনি৷ দেখতে গেলে একটু একটু করে বেশ অনেকটা চিনিই পেটে চলে যায় সারা দিনে৷ যা বড় রোগের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই এবার থেকে ‘চিনি কম’৷ তা বলে মিষ্টি স্বাদের সঙ্গে সমঝোতা করবেন না যেন৷ বরং, চিনির বদলে ব্যবহার করুন এমন কিছু প্রাকৃতিক উপদান, যা আপনার ইন্দ্রিয়তুষ্টিও ঘটাবে, আবার স্বাস্থ্যের জন্যেও উপকারী। দেখে নিন সেগুলি কী কী-

গুড়: চিনির বদলে রোজকার খাবারে গুড় ব্যবহার করা যেতেই পারে৷ অনেকেই হয়তো ভাববেন, দুটোই তো আখের রস দিয়ে তৈরি৷ তাহলে চিনির বদলে গুড় কেন? আসলে, চিনি আখের রস দিয়ে তৈরি হলেও সেটা পরিশোধিত। কিন্তু গুড় পরিশোধিত নয়। তাই চিনির থেকে গুড়ের উপকার অনেক বেশি। এছাড়াও এতে রয়েছে আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফরাসের মতো বেশ কিছু প্রয়োজনীয় মিনারেল৷ এই খাবারের গ্লাইসেমিক সূচকও কম। তাই চা কিংবা ডেজার্টে‌ গুড় মিশিয়ে খেলে সুগার বেড়ে যাওয়ার কোনও টেনশন  থাকবে না৷ 

খেজুর: অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, পটাশিয়াম, ফাইবারে ভরপুর একটি প্রাকৃতিক ক্যান্ডি হল খেজুর। এর উপকারিতাও বিস্তর৷ কেক বেক করা থেকে স্মুদি, ডেজার্ট‌- সবেতেই খেজুর ব্যবহার করতে পারেন। খেজুর হজমে সাহায্য করে, স্বাস্থ্য উন্নত করে এবং ওজনকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

কিশমিশ: আরও একটি উপাদেয় আহার হল কিশমিশ৷ পায়েস থেকে কেন, কিংবা ঘরে বানানো চাটনি, কিশমিশ মেশালে স্বাদ বাড়ে বহুগুণ। এর স্বাদও মিষ্টি। কিশমিশ ভেজানো জল খেলে হজম শক্তি বাড়ি। পেটও পরিষ্কার হয়৷ ওজন বাড়ারও কোনও ভয় নেই।


স্টেভিয়া: স্টেভিয়া হল স্টেভিয়া গাছের নির্যাস৷ এর উপাদানে কোনও ক্যালোরি নেই৷ এটি রক্তে শর্করার মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে৷ ওজন কমাতেও স্টেভিয়া অত্যন্ত উপকারী। চা, দই, পুডিং ইত্যাদি খাবারে স্টেভিয়া মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে।


মধু: চিনির বিকল্প হিসেবে মধুর জুড়ি মেলা ভার৷ মধুর উপকারিতা কারও অজানা নয়। মধুর মধ্যে থাকে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও ইমিউনিটি-বুস্টিং উপাদান৷ এছাড়াও এর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন ও মিনারেলের ভান্ডার৷ তাই চা, ফল কিংবা চাটনিতে মধু মিশিয়ে খেলে আখিরে লাভ হবে আপনারই৷ সর্দি-কাশির মতো রোগেও মধু অব্যর্থ৷

ফল: চিনির বদলে খান ফল! শুনে অবাক হচ্ছেন? আবাক হবেন না৷ এর মিষ্টি স্বাদ আপনার মিষ্টি খাওয়ার নেশা কমিয়ে দিতে পারে। পাকা আম, কলা, আপেল, চেরি ডেজার্ট‌ কিংবা স্মুদিতে মিশিয়ে খান৷ লাভবান বৃহবেন আপনিই৷  
 

Around The Web

Trending News

You May like