×

১৪ নম্বরের মহিমা! ১৪ বার FA কাপ জয় আর্সেনালের

১৪ নম্বরের মাহাত্ম্য এদিন এই একবার দেখা গেল না। ম্যাচ জেতার পর আর্সেনাল খেলোয়াড়দের দেখা গেল সবাই ১৪ নম্বর জার্সি পরেছেন। ধারাভাষ্য শুনে বোঝা গেল, ১৪ বার কাপ জেতার হাতছানিতে আগে থেকেই এই জার্সি তৈরি করানো হয়েছিল।
 

লন্ডন: এফএ কাপ এবং আর্সেনাল ক্লাবের মধ্যে নিশ্চয়ই কোনও ‘গোপন’ সম্পর্ক রয়েছে। যে দল গোটা মরসুম ধরে জঘন্য ফুটবল খেলল তারাই হঠাৎ করে সেমিফাইনালে ম্যান সিটির মতো শক্তিশালী দলকে ধরাশায়ী করে দিল। ফাইনালে তারুণ্যে ভরপুর চেলসিকেও হারিয়ে দিল ২-১ ফলাফলে। এই নিয়ে রেকর্ড ১৪ বার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন কাপ জিতে নিল গানার্সরা। এর পেছনেই ম্যান ইউ, তারা জিতেছে ১২ বার। 

আরও পড়ুন: IPL: বিশ্ব ক্রিকেটে ফের চমক দিতে চলেছে ভারত

কাপ জিতে আর্সেনাল খেলোয়াড়দের উচ্ছ্বাস।

১৪ নম্বরের মাহাত্ম্য এদিন এই একবার দেখা গেল না। ম্যাচ জেতার পর আর্সেনাল খেলোয়াড়দের দেখা গেল সবাই ১৪ নম্বর জার্সি পরেছেন। ধারাভাষ্য শুনে বোঝা গেল, ১৪ বার কাপ জেতার হাতছানিতে আগে থেকেই এই জার্সি তৈরি করানো হয়েছিল। জার্সিতে লেখা ছিল ‘অলওয়েজ ফরোয়ার্ড’, অর্থাৎ সবসময় এগিয়ে। এই এগিয়ে যাওয়ার নেপথ্যেও সেই ১৪ নম্বর। আর্সেনালের অধিনায়ক ১৪ নম্বর জার্সিধারী পিয়ের এমেরিক ওবামেয়াং একার কাঁধে কাপ জেতালেন দলকে। করলেন জোড়া গোল। 

আরও পড়ুন: শুধু ম্যান সিটি নয়, দাভিদ সিলভাকে মিস করবে গোটা ইংলিশ ফুটবল

জোড়া গোল করে জয়ের নায়ক ওবামেয়াং।


 

ম্যাচের শুরুটা কিন্তু চেলসির দিকে ছিল। আমেরিকান তরুণ ফরোয়ার্ড ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিককে আটকাতে আর্সেনাল রক্ষণের তখন হিমশিম দশা। ছ’ মিনিটের মাথায় তিনিই গোল করে এগিয়ে দেন চেলসিকে। ২৬ মিনিটের মাথায় ডিফেন্স থেকে তোলা একটি উঁচু বল তাড়া করে বক্সে ঢুকে যান ওবামেয়াং। তাঁর গতির সঙ্গে পাল্লা না দিতে পেরে ঠিক বক্সের মুখটাতেই ফেলে দেন চেলসি অধিনায়ক অ্যাজপিলিকুয়েটা। ভিএআর-এর সঙ্গে পরামর্শ করে পেনাল্টি দেন রেফারি। গোল করতে ভুল হয়নি আর্সেনালের ১৪ নম্বরের। ম্যাচের ৬৭ মিনিটে পেপের বল ধরে ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে দুরন্ত চিপে দ্বিতীয় গোল করেন ওবামেয়াং। 

চোট পেয়ে হতাশ চেলসির একমাত্র গোলফাতা ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিক। 


 

ফাইনালে হারের জন্য ক্লান্তি এবং ভাগ্যকে দোষ দিতে পারেন কোচ ফ্র্যাঙ্ক ল্যাম্পার্ড। প্রথমার্ধেই হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন চেলসি অধিনায়ক অ্যাজপিলিকুয়েটা। দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হতেই দলের সবথেকে ভাল ফর্মে থাকা ফরোয়ার্ড পুলিসিকও চোট পান। মাঠ ছাড়তে হয় তাঁকেও। দ্বিতীয় গোল খাওয়ার পর যখন ফিরে আসার সংকল্প নিচ্ছে ব্লুজ-রা, সেই সময়েই দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন মাতেও কোভাচিচ। যদিও রিপ্লে দেখে বোঝা গেল, হলুদ কার্ড দেখার মতো অপরাধ তিনি করেননি। 
 

প্রথমেই বলা হয়েছিল, আর্সেনালের সঙ্গে এফএ কাপের ‘গোপন’ সম্পর্ক আছে।  

আর্সেনাল-২ : চেলসি-১ 

From around the web

Education

Headlines