×

আগের বার মার খেয়েও জনসেবায় ব্রতী! ফের নির্বাচনী লড়াইয়ে হিরো আলম

 
হিরো আলম

ঢাকা: হিরো আলম৷ তাঁর নামের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বহু বিতর্ক৷ হিরো আলমকে চেনেন না দুই বাংলায় এমন মানুষ হাতে গোনা৷ গান, অভিনয়, সিনেমা পরিচালনা তো বটেই জনসেবাও এখন তাঁর ধর্ম৷ ২০১৮ সালে মার খেয়েছিলেন তিনি৷ তবে হিরো যে হার মানে না৷ তাই তো বাংলাদেশের কাহালু নন্দীগ্রাম অঞ্চলে উপনির্বাচনের প্রার্থী হিসাবে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় ইউটিউবার হিরো আলম। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসন থেকেই দাঁড়িয়েছিলেন তিনি৷ তবে পরাজিত হয়েছিলেন আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম।

আরও পড়ুন- চলন্ত ট্রেনের পাদানিতে বসে কেরামতি দেখিয়ে বিপাকে সোনু! সতর্ক করল রেল


প্রথমসারির এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হিরো আলম বলেন, ‘‘২০১৮ সালে মার খেয়েছিলাম। কিন্তু আমি সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। তাই আবারও নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছি।” ভোটে জিতলে অভিনয় থেকে কি সরে যাবেন? আলমের সাফ জবাব, অভিনয় কিছুটা হয়তো কমবে৷ তবে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। গানও কিছুটা করবেন আলম। কোনওটাই করবেন না, তেমনটা নয়।


বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) সংসদীয় আসনের বিএনপির সংসদ মহম্মদ মোশারফ হোসেনের পদত্যাগের পরই এই এলাকায় উপনির্বাচন হতে চলেছে৷ ৫ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) ও বগুড়া-৬ (সদর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন হিরো আলম।  বগুড়া জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মহম্মদ সাইফুল ইসলামের কাছে উক্ত দুই আসনের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তিনি৷


মাস কয়েক আগেই পুলিশের বিরুদ্ধে মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ এনেছিলেন অভিনেতা হিরো আলম! সংবাদ মাধ্যমের সামনে রীতিমতো ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছিলেন বাংলাদেশের এই জনপ্রিয় ইউটিউবার। পুলিশ নাকি তাঁকে থানায় ডেকে নএনে ক্লাসিক্যাল গান গাওয়া বন্ধ করতে বলে। এও বলে, গায়ক হিসেবে তিনি খুবই বাজে গান করেন।  এর পরেই সংবাদ সংস্থা এএফপিকে আলম বলেছিলেন, ‘‘পুলিশ থানায় ডেকে নিয়ে গিয়ে মানসিক নির্যাতন করছে।’’ শুধু নয় হিরো পুলিশের কাছে মুচলেখা দিয়ে জানিয়েছিলেন, তিনি আর হিরো বেসুরো, বিকৃত করে গান গাইবেন না! 

 বিকৃত সুরে গান গেয়ে বার বার বিতর্কে জড়িয়েছেন হিরো৷  বিশেষ করে বিকৃত সুরে রবীন্দ্রসংগীত গেয়ে ফাঁপরে পড়েছিলেন তিনি৷ তাঁর নামে পুলিশের কাছে অভিযোগও দায়ের করা হয়েছিল। আইনি জটিলতা থেকে বাঁচতেই পুলিশের কাছে বিকৃত সুরে গান না গাওয়ার মুচলেকা দেন হিরো আলম। পুলিশকে সাফ জানান, এবার থেকে বিকৃত সুরে গান গাওয়া বন্ধ! এর পর অবশ্য সংবাদ সংস্থার কাছে পুলিশের বিরুদ্ধে হেনস্থার  অভিযোগ আনেন হিরো আলম।
 

From around the web

Education

Headlines