Aajbikel

শেয়ার মার্কেটে বিনিয়োগ করতে চান? ভয় নেই, রইল বেশ কিছু টিপস

 | 
শেয়ার বাজার

কলকাতা: আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বিনিয়োগ হল সর্বোত্তম উপায়। সেই সঙ্গে এটাও দেখে নিতে হবে, কী ভাবে দ্রুত আর্থিক বিকাশ সম্ভব হয়। সেক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো উপায় হল শেয়ার মার্কেট৷ এখানে বিনিয়োগের একাধিক বিকল্প আপনি হাতের মুঠোয় পেয়ে যাবেন৷ বিবেচনামূলকভাবে স্টকে বিনিয়োগ করতে পারলে বিপুল লাভের সম্ভাবনাও রয়েছে৷ তবে একথা সত্যি যে স্টক মার্কেটে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে প্রতি মুহূর্তে রয়েছে ঝুঁকি৷ কীভাবে শেয়ার মার্কেটে টাকা বিনিয়োগ করে ভালো রিটার্ন পেতে পারেন, এই প্রতিবেদনে সেই বিষয়টি নিয়েই আলোচনা করা হল।

কীভাবে বিনিয়োগ করবেন সেই বিষয়ে আলোচনার আগে, আসুন জেনে নিই স্টক মার্কেট বা শেয়ার বাজার আসলে কী? 

স্টক মার্কেট হল এমন একটি বাজার, যেখানে কোম্পানিগুলি তাদের সংস্থার আংশিক মালিকানা ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করে। 
শেয়ার বাজার প্রাইমারি এবং সেকেন্ডারি মার্কেট-এই দুই ভাগে বিভক্ত৷ প্রাইমারি মার্কেটে কোম্পানিগুলি প্রথমবার বোর্সে তালিকাভুক্ত হওয়ার জন্য ইনিশিয়াল পাবলিক অফারিং লঞ্চ করে। এই বাজারে এসে আপনি সংশ্লিষ্ট কোম্পানি থেকে সরাসরি শেয়ার কিনতে পারবেন।

অন্যদিকে, সেকেন্ডারি মার্কেটে ক্রেতা এবং বিক্রেতা উভয়ই কোম্পানির শেয়ার ট্রেড করতে একত্রিত হয়৷ এই মার্কেট চাহিদা এবং সরবরাহের নিয়ম দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। সেকেন্ডারি মার্কেটে বিনিয়োগকারী এবং ট্রেডাররা গুরুত্বপূর্ণ প্লেয়ার৷ 


কোম্পানিগুলি কেন শেয়ার ইস্যু করে থাকে?
সংস্থার কর্মকাণ্ড এগিয়ে নিয়ে যেতে কোম্পানিগুলির মূলধন প্রয়োজন৷  তাই সময়ে সময়ে তারা মার্কেট থেকে ফান্ড সংগ্রহ করে। 

 

স্টক মার্কেটে কীভাবে বিনিয়োগ করবেন?  

যাঁরা শেয়ার বাজারে নতুন এবং বিনিয়োগ করতে চান তাঁদের জন্য রইল বেশ কিছু পরামর্শ- 


যাঁদের কাছে স্টক মুভমেন্ট ট্যাপ এবং লাভজনক রিটার্ন লাভ করার সঠিক জ্ঞান রয়েছে, স্টক মার্কেট তাঁদের কাছে টাকা উপার্জনের দারুণ একটি প্ল্যাটফর্ম হতে পারে৷ স্টক মার্কেটের কী ভাবে বিনিয়োগ করতে হবে, তার জন্য রইল বেশ কয়েকটি টিপস৷ 
 

• স্টক মার্কেটের কারবারি হয়ে ওঠার আগে, বিনিয়োগকারীদের অবশ্যই তাদের প্রয়োজনীয়তা এবং সীমাবদ্ধতা নির্ধারণ করতে হবে। বিনিয়োগযোগ্য উদ্বৃত্ত টাকার হিসাব বার করার জন্য বিনিয়োগকারীদের সবার আগে তাঁদের আয়ের তালিকা বানাতে হবে৷ সেখান থেকে সমস্ত খরচ ও ঋণের দায়বদ্ধতা (যদি কিছু থেকে থাকে) তা থেকে বাদ দিতে হবে। যাঁরা বেশি ঝুঁকি নিতে চান না, তাঁরা ফিক্সড ডিপোজিট এবং বন্ডে বিনিয়োগ করতে পারেন৷ 


•    ব্যক্তিগত স্তরে কতটা বিনিয়োগ করতে পারবেন, সেটা বুঝে নেওয়ার অবশ্যই স্টক মার্কেটের পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করতে হবে। তার পর প্রয়োজন অনুযায়ী স্টক চিহ্নিত করতে হবে। কেউ যদি আয়ের একটি অতিরিক্ত উৎস পেতে চান, তাহলে ডিভিডেন্ড প্রদানকারী স্টকে বিনিয়োগ করাটাই উপযুক্ত হবে। তবে মূলধন বৃদ্ধি করতে চাইলে, বিনিয়োগকারীদের উচিত গ্রোথ স্টক বেছে নেওয়া৷ 


•    সঠিক সময়ে মার্কেটে প্রবেশ করা হল শেয়ার মার্কেটের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়৷ যা বিনিয়োগকারীরা হামেশাই উপেক্ষা করে থাকেন। মার্কেটের দাম যখন কম থাকে ঠিক তখনই শেয়ার বাজারে প্রবেশ করতে হয়।

•     চিহ্নিত স্টকগুলি সর্বনিম্ন মূল্যের স্তরে কিনতে পারলে বিনিয়োগকারীরা সম্ভাব্য মুনাফাকে সর্বাধিক করে তোলার সুযোগ পাবেন৷ অন্যদিকে, স্টকটি যখন সর্বোচ্চ মূল্যে ট্রেডিং হতে থাকে তখন সেখান থেকে এক্সিট করে যাওয়াটাই লাভজনক।


•    কোনও স্টক নির্বাচন করার সময়, আপনাকে শুধুমাত্র সেই নির্দিষ্ট স্টকটির পারফর্মেন্সের উপরই \s নজর রাখতে হবে এমন নয়৷ সাধারণ ফিনান্সিয়াল পারফর্মেন্স এবং ম্যাক্রো-ইকোনমিক ফ্যাক্টর থেকে সংকেতগুলি খুঁজে দেখতে হবে, যা শেয়ারের পারফর্মেন্সকে প্রভাবিত করতে পারে। 


•  দেখা গিয়েছে, বেশিরভাগ সফল বিনিয়োগকারীরা চারটি ডেটা পয়েন্ট অনুসরণ করে থাকেন৷  পি/ই (P/E) অনুপাত, পি/বি (P/B) অনুপাত, এবং নিফটি (NIFTY)-এর ডিভিডেন্ড লভ্যাংশ এবং সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট চিহ্নিত করার জন্য এফআইআই (FII) অ্যাক্টিভিটি।


• ট্রেডাররা অফলাইন বা অনলাইন শেয়ার ট্রেডিং-এর মাধ্যমে  অর্ডার কার্যকর করতে পারেন। টেলিফোনে অর্ডার  দেওয়ার দস্তুরও রয়েছে। কোনও বিনিয়োগকারী যদি অফলাইন পদ্ধতি বেছে নেন, তাহলে তাঁকে নিশ্চিত করতে হবে যে ব্রোকার সঠিকভাবে অর্ডারটি বুঝতে পেরেছেন কিনা৷ 


• অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায়, বিনিয়োগকারীরাতাদের বিনিয়োগের পোর্টফোলিও যাচাই করেন না৷ এই ভুলটি কিন্তু করবেন না৷ 

শেয়ার মার্কেটে ট্রেডিং অ্যাকাউন্ট খুলতে চান৷ ক্লিক করুন এই লিঙ্ক - https://www.kotaksecurities.com/landing-page/franchisee/open-demat-account-partner-kumaresh-halder-neo

যোগাযোগের জন্য ফোন করুন- ৯০৯৩-২১১-২১১ নম্বরে

Around The Web

Trending News

You May like