হাওড়া: রক্তপাত না হলেও বুথে বুথে তাণ্ডবের ছবি ধরা পড়েছে প্রথমদফার নির্বাচনে৷ কমিশনের তরফে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার আশ্বাস দেওয়া হলেও প্রবল তাণ্ডের মাঝে অসহায় বঙ্গ পুলিশ৷ আগামী নির্বাচনের দিনগুলিতে এই একই ধরনের ঘটনা ঘটলে কী ব্যবস্থা নেবে কমিশন? নিরাপত্তা আদৌও নিশ্চিত? মূলত, এই প্রশ্ন তুলে এবার ভোটের ডিউটিরত অবস্থায় বিক্ষোভ দেখালেন শিক্ষকরা৷
নিখিল বঙ্গ শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে ভোটের ডিউটিরত শিক্ষকরা আজ হাওড়া জেলাশাসকের অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখানো হয়৷ পাশাপাশি স্মারকলিপিও প্রদান করেন তাঁরা। জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবিতেই সরব হয়েছেন তাঁরা। যথাযথ নিরাপত্তা না পেলে তাঁরা কেউ ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করবেন না বলেও জানিয়েছেন ওই শিক্ষকরা।
নিরাপত্তার জোরালো দাবি নিয়ে রাজ্যজুড়ে ছড়িয়েছে ভোটকর্মীদের আন্দোলন৷ শুক্রবার যা ছিল উত্তরবঙ্গে, শনিবার থেকে ক্রমাগত আন্দোলন ধেয়ে আসছে দক্ষিণবঙ্গে৷ শনিবারও হাওড়ার উলুবেড়িয়াতে প্রশিক্ষণ স্থগিত রেখে তুমুল বিক্ষোভ দেখান শিক্ষকরা। ‘গণতন্ত্রকে বাঁচাতে চাই, নিজেও বাঁচতে চাই’ এই স্লোগানে ভেসে যায় ভোটের প্রশিক্ষণ৷
উলুবেড়িয়ার এক বেসরকারি কলেজে প্রায় ২ হাজার কর্মীর ভোটের প্রশিক্ষণ ছিল। সকাল ১০টা থেকে শুরু হয় প্রশিক্ষণ। কিন্তু প্রশিক্ষণ শুরু হওয়ার আগেই বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন ভোটকর্মীরা। পরে উলুবেড়িয়ার মহাকুমা শাসক এসে প্রতিশ্রুতি দিলে বিক্ষোভ ওঠে। তারপরে একইভাবে দ্বিতীয় দফার প্রশিক্ষণের সময়ও বিক্ষোভ দেখান ভোটকর্মীরা। উলুবেড়িয়ার পাশপাশি এদিন বিক্ষোভ হয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়্গপুরে। বিক্ষোভ হয়েছে ঝাড়গ্রামেও।