শহিদের রক্তে বাংলায় পরিবর্তন লেখা হবে: অমিত শাহ

শহিদের রক্তে বাংলায় পরিবর্তন লেখা হবে: অমিত শাহ

 

কলকাতা: লক্ষ্য ২০২১৷  বাংলা বিধানসভা দখলে মরিয়া বঙ্গ বিজেপি৷ আর সেই লক্ষ্য পূরণে কোনভাবেই বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে না করোনা মহামারী ও বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড়ের দুর্যোগ৷ বাংলার বুকে ঘটে যাওয়া জোড়া বিপদ উড়িয়ে অবশেষে ভার্চুয়াল জনসভায় অংশ নিলেন অতিম শাহ৷

করোনা আক্রান্ত ও আমপান ঝড়ে মৃতদের আত্মার শান্তি কামনা করে এদিন ভাষণ শুরু করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ৷ রাজনৈতিক লড়াই করতে গিয়ে যে সমস্ত বিজেপি কর্মীদের প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের শ্রদ্ধা জানান৷ জানান, যাঁরা বলিদান দিয়েছেন, তাঁদের রক্তে পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তন লেখা হবে৷ যাঁরা করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করছেন তাঁদেরও কুর্নিস জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির প্রধান সেনাপতি অমিত শাহ৷ সোনার বাংলার নির্মাণের লড়াইয়ে জন্য বিজেপি কর্মীদের আরও সক্রিয় হওয়ার বার্তা দিয়েছেন তিনি৷

এদিন অমিত শাহ বলেন, শতাধিক কর্মী জীবন বলিদান দিয়েছেন৷ তাঁদের আমি শ্রদ্ধা জানাই৷ কারণ, এই সমস্ত শহিদদের জন্য বিজেপি ৩০৩ টি আসন পেয়েছে৷ বিজেপি শুধু বিরোধী আন্দোলনের জন্য এখানে আসেনি৷ বিজেপি বাংলায় সোনার বাংলা তৈরি করবে৷ বাংলায় রাজনৈতিক সংঘর্ষে শতাধিক কর্মীর মৃত্যু হয়েছে৷ তাঁদের আমরা ভুলব না৷ বাংলায় সব থেকে বেশি রাজনৈতিক হিংসা হয়৷

আজ সভার শুরুতে ভাষণ দেন তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে নাম লেখানো প্রাক্তন রেলমন্ত্রী মুকুল রায়৷ মঞ্চে দাঁড়িয়ে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন মুকুল৷ জানিয়ে দেন, বাংলায় স্বেচ্ছাচারের বিরুদ্ধে বিজেপি লড়াই করবে৷ এই লড়াইয়ে বিজেপি জয় পাবে বলেও ঘোষণা করেন মুকুল রায়৷ একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রের প্রশংসায় ভরিয়ে দেন মুকুল রায়৷ জানান, অমিত শাহ একটি নাম৷ কুশলতার সঙ্গে দেশ পরিচালোনা করছেন প্রধানমন্ত্রী৷ বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছেন বলেও জানান মুকুল রায়৷

মুকুলের পর ভাষণ দেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ৷ ভাষণ শুরুতেই দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‘অমিত শাহর দেশের ভূগোল পরিবর্তন করে দিয়েছেন৷ একের পর গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ৷ ভার্চুয়াল জনসভায় দিলীপ ঘোষের মন্তব্য, ‘‘আজ বাংলা মহামারী ও ঘূর্ণিঝড়ে বিধ্বস্ত৷ কিন্তু এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে রাজ্য সরকার সুরক্ষা দিতে পারছে না৷ বাংলার মানুষকে রেশন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে৷ কোনরকম সুরক্ষা বিধিমালা হচ্ছে না৷ সমস্ত জায়গায় হাহাকার শুরু হয়ে গিয়েছে৷ পশ্চিমবঙ্গ সরকার ঠিকঠাক ভূমিকা পালন করতে পারছে না৷ পুলিশকে দিয়ে বিজেপি কর্মীদের আক্রামণ করা হচ্ছে৷ ত্রাণ পৌঁছাতে দিতে দেওয়া হচ্ছে না৷ একটা ত্রিপল পৌঁছে দেওয়ার মতো অনুমতি নেই৷ পুলিশ ধরে ধরে বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে ঢুকিয়ে দিচ্ছে৷’’  

দেখুন LIVE-

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *