আজ বিকেল: এইচডিএফসি ব্যাংক তাদের Q4 বা শেষ ত্রৈমাসিক রিপোর্ট পেশ করেছে। রিপোর্ট বলছে, ব্যাংকের ঋণ অনেক বেড়েছে এবার। তবে আমানত সেই হারে বাড়েনি। ফলে ঋণ ও আমানতের মধ্যে ব্যবধান বাড়ছে অনেকটা।
HDFC Bank Q4 Business
মার্চ মাসে ব্যাংকের মোট ঋণ ১৭% বেড়েছে। এখন মোট ঋণের পরিমাণ ২৫ লাখ কোটি টাকা। এক বছর আগে এটি ছিল ২১.৪ লাখ কোটি টাকা। রিটেইল এবং এসএমই ঋণ অনেক বেড়েছে। কর্পোরেট ঋণও একটি নির্দিষ্ট হারে বাড়ছে বলে রিপোর্টে প্রকাশ।
আমানত ও ঋণের অনুপাত
ব্যাংকের মোট আমানতও বেশ কিছুটা বেড়েছে। এটি এখন ২৩.৫ লাখ কোটি টাকা। এক বছর আগে এটি ২০.৫ লাখ কোটি টাকা ছিল। ঋণ ও আমানতের অনুপাত এখন ১০৬-১০৮%। কাসা (CASA) অনুপাত কিছুটা কমে ৩৭-৩৮% হয়েছে। আগে এই অনুপাত ছিল ৩৮-৩৯ শতাংশ।
গত মার্চ মাসে ব্যাংকের প্রাক্তন চেয়ারম্যান অতনু চক্রবর্তী পদত্যাগ করেন। ব্যাংক তার বিরুদ্ধে কোনও আইনি ব্যবস্থা নেবে না। তারা এখন ব্যাংকের নিয়মকানুন উন্নত করার দিকে নজর দিচ্ছে। ২০১৮-১৯ সালের এটি-১ (AT-1) বন্ড বিক্রিতে অনিয়ম হয়েছিল। এই কারণে ১৫ জন কর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৩ জনকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
এনডিটিভি প্রফিটকে ব্যাংকের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে,
‘ব্যাংক প্রাক্তন চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আইনি মামলা করবে না। তারা এখন নিজেদের বিক্রয় নীতি উন্নত করতে চাইছে।’
তথ্য:
মোট ঋণ: ২৫ লাখ কোটি টাকা৷
মোট আমানত: ২৩.৫ লাখ কোটি টাকা৷
ঋণের বৃদ্ধি: ১৭%
কাসা (CASA) অনুপাত: ৩৭-৩৮%
ঋণ-আমানত অনুপাত: ১০৬-১০৮%
আগামী ১৮ এপ্রিল ব্যাংকের বোর্ড মিটিং হবে৷ সেখানে আর্থিক ফলাফল অনুমোদন করা হবে৷ ডিভিডেন্ড দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হবে৷ ব্যাংকের ভবিষ্যৎ আমানত বৃদ্ধির ওপর নির্ভর করছে৷
আপনি কি মনে করেন ব্যাংকের এই ঋণ বৃদ্ধি অর্থনীতির জন্য ভালো? নাকি আমানত কম হওয়া একটি চিন্তার বিষয়? এই বিষয়ে আপনার মতামত কী? আপনার মূল্যবান মতামত নিচে কমেন্ট করে জানান৷
কিছু প্রশ্ন ও তার উত্তর (Q&A)
প্রশ্ন: এইচডিএফসি ব্যাংকের মোট ঋণ কত?
উত্তর: মার্চ শেষে ব্যাংকের মোট ঋণ ২৫ লাখ কোটি টাকা৷
প্রশ্ন: ব্যাংকের মোট আমানত কত?
উত্তর: ব্যাংকের মোট আমানত এখন ২৩.৫ লাখ কোটি টাকা৷
প্রশ্ন: কাসা (CASA) অনুপাত কত?
উত্তর: কাসা অনুপাত কমে ৩৭-৩৮ শতাংশ হয়েছে৷
প্রশ্ন: ব্যাংকের পরবর্তী বোর্ড মিটিং কবে?
উত্তর: আগামী ১৮ এপ্রিল ব্যাংকের বোর্ড মিটিং হবে৷
প্রশ্ন: কতজন কর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে?
উত্তর: মোট ১৫ জন কর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে৷