তমলুক: সিভিক ভলান্টিয়ারদের দিয়ে তোলারাজি করানো হচ্ছে৷ খোদ পুলিশ কর্তাকে মঞ্চে বসিয়ে চাঞ্চল্য প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷

দিঘার প্রশাসনিক বৈঠক মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী জানান, পুলিশ গাড়ি ধরে কেস দিচ্ছে৷ টাকা নিচ্ছে৷ এমন মামলা দিচ্ছে যাতে সমস্যায় পড়ছেন গাড়িচালকরা৷ এমন হলে মানসিকভাবে বিবেচনা করার বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী৷ প্রয়োজন আইনি পথ নেওয়ার বার্তাও দেন মুখ্যমন্ত্রী৷

এদিন সিভিক ভলান্টিয়ারদের কাঠগড়ায় তুলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বহু অভিযোগ আসছে সিভিক ভলান্টিয়ার গাড়ি থেকে টাকা তুলছে৷ কোনও কোনও আইসি বলছে, যা টাকা তুলে আন৷ কখনও বলছে এই কেসটা দেখ৷ কিন্তু ওরাও বা কী করবো বলুন৷ ওরা তো প্রশিক্ষিত নয়৷ সিভিক ভলান্টিয়ারদের ধীরে ধীরে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে৷ রিভিউ করার হবে৷ সাফ জানিয়ে দেন, পুলিশ যদি টাকা তোলে তা রাজ্য সরকার বরদাস্ত করবে না৷ কারণ, পুলিশ খারাপ কাজ করলে সরকারের বদনাম হয়৷ কারণ পুলিশ সরকারের মুখ৷

মিড ডে মিলের উপর নজরদারি বাড়াতে এবার নয়া নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের৷ সমস্ত বিডিও ও পুলিশ আধিকারিকদের আসা-যাওয়ার পথে একবার মিড ডে মিল কেন্দ্রগুলিতে একবার পরিদর্শনের নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী৷

এই কাজে প্রশাসনিক কর্তাদের নজরদারির পাশাপাশি সাংবাদিকদেরও মুখ্যমন্ত্রী জানান, তাঁরাও যেন একবার মিড ডে মিল সেন্টারগুলি দেখে আসেন৷ যাতে কোথাও কোনও সমস্যা হচ্ছে কি না, যদি সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে যেন তাঁরা প্রশাসনের নজরে আনেন৷

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘বিডিও’রা ১০০ দিনের কাজ ঠিকমত হচ্ছে কি না, মিড ডে মিল ঠিকমত হচ্ছে কি না, আইসিডিএস ঠিকমতো চলছে কি না, একটু মাঝেমাঝে ভিজিট করবেন৷ একটা ডায়েরিতে রেকর্ড করে রাখবেন, কোন কোন দিন কোথায় ভিজিট করেছেন৷ এটা আপনার লাইফে একটা ক্যালেন্ডার হয়ে থাকবে৷ ডেইলি রুটিনের মতো৷ এটা একটু দেখে নেবেন৷’’

পুলিশ কর্তাদের মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা, ‘‘মাঝে মাঝে যদি আপনারা একটু মিড ডে মিলের সেন্টারগুলিতে যান, কী হচ্ছে একটু দেখেন, লোকেও ভালো বলে৷ ওঁরা খুব খুশি হয়৷ আমি নিজেই মিড ডে মিলের সেন্টারে গিয়ে খাবার খেয়ে এসেছে৷ এটাও একটা সামাজিক কাজ৷’’ বলেন, ‘‘সাংবাদিকদের বলব, তাঁরাও যেহেতু আমাদের পরিবার-পরিজন৷ তাঁরাও কোথাও কোথাও গিয়ে মিড ডে মিল দেখবে৷ কোথাও কোন প্রবলেম আছে কি না আমাদের নজরে আনবে৷’’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here