Rahul's tweet must be headline news in Pak: Union Minister

নয়াদিল্লি: জইশ প্রধান মাসুদ আজহারকে ফের আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী হিসেবে ঘোষণায় সম্মতি দিল না বেজিং। শি জিনপিংয়ের এহেন আচরণ নিয়ে ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক মঞ্চে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। এমতাবস্থায় টুইট করে মোদিকে একহাত নিলেন রাহুল গান্ধী। তিনি কটাক্ষ করে লেখেন, ডোকলাম নিয়ে চিন কোনও স্থায়ী সিদ্ধান্তে আসেনি। মাসুদ আজহারের মতো জঙ্গি নেতাকে বেজিং কিছুতেই আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী ঘোষণা করছে না, তাহলে চিনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর এত ভাব কেন? তাহলে নিশ্চই শি জিনপিংকে প্রধানমন্ত্রী ভয় পান।

রাহুল গান্ধীর এহেন টুইটের পর রীতিমতো ক্ষোভে ফেটে পড়েন আইনমন্ত্রী রবিশংকর প্রসাদ। তিনি বলেন, চিনের সিদ্ধান্তে গোটা দেশ দুঃখ পেয়েছে। রাহুল গান্ধী কেন আনন্দ হচ্ছে জানি না। তাঁর বক্তব্য তো পাকিস্তানের খবরের কাগজের শিরোনাম হয়।

রাহুল টুইটারে অভিযোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী দুর্বল। সাংবাদিক সম্মেলন করে এই অভিযোগের জবাব দেন রবিশংকর প্রসাদ। তিনি বলেন, কোনও দেশের বিদেশ নীতি টুইটারে ঠিক হয় না। কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তাঁর পালটা অভিযোগ, প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর জন্যই চিন নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হতে পেরেছিল।নিরাপত্তা পরিষদে যে দেশগুলি স্থায়ী সদস্য, তারা ভেটো দিয়ে যে কোনও প্রস্তাব নাকচ করে দিতে পারে। চিন পর পর চার বার ভেটো দিয়ে মাসুদ আজহারকে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী বলে ঘোষণা করতে দেয়নি। রাহুল গা্ন্ধী নাকি সুযোগ পেলেই চিনের দূতাবাসে যান এমনকী, মানস সরোবরে যাওয়ার সময়ও চিনের দূতের সঙ্গে কথা বলেছিলেন, তাহলে তিনি কেন তাঁদের অনুরোধ জানাচ্ছেন না যাতে মাসুদ আজহারকে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী ঘোষণাতে সিলমোহর দেয় চিন। এর পরিপ্রেক্ষিতে রাহুলের জবাব, কেন্দ্র চিনের সঙ্গে মিলে দেশের জন্য কি সিদ্ধান্ত নিচ্ছে তা জানার মৌলিক অধিকার সকলের রয়েছে। তাই দূতের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি, তবে চিন শুধু নয় ভুটানের দূতের সঙ্গেও তাঁর কথা হয়েছে।

Loading...
Loading...

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here