dwijen-mukhopadhyay-last-rite-honors-with-gun-salute

প্রয়াত বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী দ্বিজেন মুখোপাধ্যায়। বয়স হয়েছিল ৯১ বছর ৷ বহুদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত অসুখে ভুগছিলেন তিনি। এসএসকেএমে চিকিৎসা চলছিল তাঁর। কয়েকদিন আগেই সল্টলেকের বাড়িতে ফিরে এসেছিলেন। সোমবার, সকালে সেখানেই মৃত্যু হয় এই জনপ্রিয় শিল্পীর৷ চল্লিশের দশকের শেষ দিকে সলিল চৌধুরীর সুরে দ্বিজেন মুখোপাধ্যায়ের বেশ কিছু গান জনপ্রিয়তা লাভ করে। মহালয়ার সকালে তাঁর কণ্ঠে ‘জাগো দুর্গা’ আজও বাঙালির মননে জাগ্রত৷ বর্তমান রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে তাঁকে সর্বোচ্চ বঙ্গভূষণ ও বঙ্গবিভূষণ সম্মানে ভূষিত করা হয়। দ্বিজেন মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে ট্যুইট করে শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে সঙ্গীতজগতের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। রবীন্দ্রসঙ্গীত ছাড়াও বাংলা আধুনিক, হিন্দি চলচ্চিত্রের গানে তিনি ছিলেন জনপ্রিয়। প্রায় ১৫০০ রেকর্ড করেছেন তিনি। রেকর্ড করেছেন ৮০০ রবীন্দ্রসঙ্গীত। সিনেমায় সঙ্গীত পরিচালকের দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি। পেশাদার গায়ক হিসেবে তাঁর পথচলার শুরু ১৯৪৪ সালে। ১৯৪৬ সালে সুযোগ পান আকাশবাণীর শিল্পী হিসেবে। রেকর্ড করারও শুরু সেবছরই। তাঁর “শ্যামলবরণী ওগো কন্যা”, “ক্লান্তি নামে গো”, “পল্লবিনী গো সঞ্চারিণী” এখনও সমান জনপ্রিয়।

দিনের বেলা দ্বিজেন মুখোপাধ্যায়ের দেহ রাখা ছিল তাঁর সল্টলেকের বাসভবনে। বিকেলে দেহ নিয়ে যাওয়া হয় নন্দনে। সেখানে গিয়ে শ্রদ্ধা জানান মুখ্যমন্ত্রী। গিয়েছিলেন সঙ্গীত জগতের বিশিষ্ট জনেরা। সন্ধে পৌন আটটা নাগাদ গান স্যালুটে তাঁকে শেষ বিদায় জানানো হয়। উপস্থিত ছিলেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম, কলকাতা পুরসভার চেয়ারপার্সন মালা রায়, মন্ত্রী তথা সঙ্গীতশিল্পী ইন্দ্রনীল সেন সহ অন্যান্যরা। এরপর কেওড়াতলা মহাশ্মশানে দ্বিজেন মুখোপাধ্যায়ের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here